২০ রোজার মধ্যে বেতন-বোনাস পরিশোধের দাবীতে কাঁচপুরে শ্রমিক সমাবেশ

0
বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম
২০ রোজার মধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা ও এক মাসের (বেসিক) বেতনের সমান ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবীতে “গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র’র” উদ্যোগে সোমবার (৪ জুন) বিকাল ৪ টায় কাঁচপুর বাসস্ট্যান্ড-এ শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কাঁচপুর-রুপগঞ্জ-বন্দর আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শফিকুল ইসলাম বক্তব্য রাখের গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র’র কেন্দ্রিয় নেতা দুলাল সাহা, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি এম এ শাহীন, সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম বাবুল, রুপগঞ্জ অঞ্চলের নেতা কাজী মোতাহার হোসেন, আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন শ্রমিক নেতা  মোস্তাকিম ও তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন- সারা দেশের গার্মেন্ট শ্রমিকরা ঈদ-উল ফিতরের ঈদ উপলক্ষে এক মাসের (বেসিক) বেতনের সমান ঈদ বোনস ও বকেয়া বেতন-ভাতা ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধের দাবী তুলেছে। অথচ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে শ্রমিকের মে’ ১৮ ইং মাসের বেতন ১০ জুন এবং ঈদ বোনাস ১৪ জুন ১৮ইং তারিখ পরিশোধ করতে মালিক নির্দেশ দিয়েছে। ঈদ মুহুর্তে গিয়ে যযদি শ্রমিকদের টাকা দেওয়া হয় তাহলে তারা  নতুন কাপড়চোপড় কেনাকাটা করা বা বাড়ি ফেরার জন্য অগ্রিম গাড়ির টিকেট বুকিং করা সম্ভব হবেনা। শ্রমিকরা চরম দুর্ভোগে পড়বে। এই বিষয় গুলো বিবেচনায় নিয়ে ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকের বেতন-বোনাস পরিশোধ করতে হবে। তাছাড়া গার্মেন্ট মালিকরা সারা বছর শ্রমিকের বেতন-ভাতা বকেয়া রাখে ঈদ কে সামনে রেখে সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু ঈদ মহুর্তে গিয়ে তাদেরকে বকেয়া পাওনা ও ঈদ বোনাস থেকে বঞ্চিত করে চরম বিপদ ফেলে দেয়। শেষ সময়ে সমস্যা সমাধানের কোন সুযোগ থাকেনা ফলে শ্রমিকের ঈদ আনন্দ তখন কষ্টের পহাড়ে পরিণত হয়।শ্রমিকদের বাড়ি ফিরে আপনজনদের সহিত মিলিত হয়ে ঈদ উৎসব পালনের সুযোগ করে দিতে হবে। ২০ রোজার মধ্যে শ্রমিকের বেতন-বোনাস প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে সরকার ও গার্মেন্টস মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ এবং বিজিএমইএ কে প্রয়োজনিয় পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। অন্যতায় বেতন-বোনাস নিয়ে শিল্পাঞ্চলে কোন অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে এর দায় দায়িত্ব মালিকদের কে বহন করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন- সরকারি প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক কর্মচারীদের এক মাসের বেতনের সমান বোনাস দেওয়া হয় কিন্তু দেশের অর্থনীতির মূল ভূমিকায় যে গার্মেন্ট শ্রমিক তাদের এক’ই হারে বোনাস দেওয়া হয় না। অধিকাংশ কারখানার মালিক নিজের ইচ্ছেমত নাম মাত্র বোনাস দিয়ে থাকে। এক দেশে দুই নিয়ম চলতে পারেনা। গার্মেন্ট শ্রমিক সহ অপরাপর সকল শ্রমিকদের এক মাসের (বেসিক) বেতনের সমান ঈদ বোনাস ও সকল বকেয়া পাওনা ২০ রোজার মধ্যে পরিশোধ এবং ঈদের ছুটির পূর্বে জুন মাসের অর্ধেক বেতন প্রদানের দাবী জানিয়ে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে গার্মেন্ট শ্রমিকের নিম্নতম মজুরি ১৬ হাজার টাকা ঘোষণার দাবী জানান। ।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.