এ মাসেই চলবে হাজীগঞ্জ-নবীগঞ্জ এবং ৫নংঘাট-সেন্ট্রালঘাট ফেরী সার্ভিস

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

চলতি মাসের মধ্যেই হাজীগঞ্জ টু নবীগঞ্জ এবং ৫নং খোট টু সেন্ট্রালঘাটে পৃথক ভাবে দুটি ফেরী সার্ভিস চালু হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই হাজীগঞ্জ ও নবীগঞ্জ খেয়াঘাটে ফেরীতে যানবাহন উঠা নামার র‌্যাম তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায় রয়েছে। দু’একদিনের মধ্যে ৫নং খেয়াঘাট এবং সেন্ট্রাল খেয়াঘাটের ময়মনসিংহ পট্টি দিয়ে ফেরী সার্ভিসের র‌্যাম তৈরি কাজ শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার ১১ জানুয়ারী বিকেলে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবের ক্যাফেটেরিয়ায় সড়ক ও জনপথ, বিআইডব্লিউটিএ, উপজেলা প্রশাসনের সাথে ফেরীঘাট নির্মাণ কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনায় এসব তথ্য জানা গেছে। ওই আলোচনায় ফেরীঘাট নির্মাণ কাজে সাময়িক কিছু সমস্যার চিহ্নিত হলে সে গুলো সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এ সময় সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তা এবং ফেরীঘাট নির্মাণে কাজের ঠিকাদার চলতি মাসেই ফেরীঘাটের কাজ শেষ করে ফেরী সার্ভিস চালু করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ এর নারায়ণগঞ্জ জেলার যুগ্ম পরিচালক গুলজার আহম্মেদ, বন্দর উপজেলার নির্বার্হী কর্মকর্তা পিন্টু বেপারী, ভূমি কর্মকর্তা শাহিনা শবনম, নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রৌকশলী আলীউর হোসেন, উপ-বিভাগীয় প্রৌকশলী আশফিয়া সুলতানা, উপ সহকারী প্রৌকশলী ফিরোজ আহম্মেদ মহানগর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান মুন্না, ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আফজাল হোসেন, ১২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শওকত হাসেম শকু, এবং রাস্তার নির্মাণ কাজের ঠিকাদার নজরুল ইসলাম বাদল।

প্রসঙ্গত গত ২৩ নভেম্বর বন্দরে সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নির্মিত, শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, নাগিনা জোহা উচ্চ বিদ্যালয় এবং শেখ জামাল উচ্চ বিদ্যালয় নামের ৩টি স্কুলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে ছিলেন সেতুমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দলের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জে সেটির ছিল তাঁর প্রথম আগমন। ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শীতলক্ষ্যা নদীতে নবীগঞ্জ-হাজীগঞ্জ খেয়াঘাট দিয়ে চতুর্থ শীতলক্ষ্যা সেতু নির্মানের জন্য জোরালে দাবী তুলে বন্দরবাসী। জনগনের দাবীকে আমলে নিয়ে ১৫ দিনের মধ্যে নবীগঞ্জ খেয়াঘাট দিয়ে ফেরী সার্ভিস চালু করার ঘোষণা দিয়ে ছিলেন। নবীগঞ্জ দিয়ে সেতু নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে ফেরী চলাচল অব্যাহত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন।

Leave A Reply