এখনো বুড়োরাই নেতৃত্বে বন্দর থানা ছাত্রলীগের ॥ হতাশায় নবীনরা

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

এখনো বন্দর থানা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিচ্ছে বুড়ো বয়সী নেতারা। যাদের মধ্যে অনেকেরই বয়স ৫০ ছুঁই ছূঁই প্রায়। অথচ নতুন কমিটির আশায় হতাশায় ভুগছে নবীনরা। দীর্ঘ দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকায় বন্দরে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অনেকটা অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সূত্র মতে, নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের তৎসময়কার আহবায়ক ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি এস এম আকরাম বিগত ২০০৪ সালে নাজমুল হাসান আরিফকে সভাপতি ও মোঃ আবুল হোসেনকে সাধারন সম্পাদক করে বন্দর থানা ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করে দেন। ওই কমিটিতে বেশ কিছুদিন দায়িত্ব পালনের পর সরকারি চাকুরী পাওয়ার সুবাদে নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন সাধারন সম্পাদক আবুল হোসেন। ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেন যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম। বিরোধী দলে থাকাকালীন সক্রিয় ভুমিকা রাখলেও দল ক্ষমতায় আসার পর দলীয় কোন্দল বৃদ্ধি এবং সাংসারিক কারনে সাইফুলও রাজনীতি করার আগ্রহ অনেকটা হারিয়ে ফেলেন। এরপর পর্যায়ক্রমে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে স্বেচ্ছায় সড়ে দাড়ান সংগঠনের বিভিন্ন পদ-পদবীধারী নেতারা। প্রায় এক যুগের ও বেশি সময় ধরে হওয়া বন্দর থানা ছাত্রলীগের এই কমিটি থেকে বর্তমানে আলোচনায় আছেন বিভিন্ন উন্নয়ন মুলক কাজের টেন্ডার নিয়ে কাজ করছেন সভাপতি নাজমুল হাসান আরিফ,মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে আওয়ামী রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি শফিউল্লাহ মিয়া বাবু ও সহ-সভাপতি এম এ সালাম। প্রায় সময়ই তাদেরকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আন্দোলন সংগ্রামে দেখা যায়। অপরদিকে বন্দর সিএনজি-অটোরিকশা শ্রমিক কমিটির সভাপতি হয়ে বন্দর ১নং খেয়াঘাট স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রক হিসেবে ভুমিকা পালন করছেন সাংগঠনিক সম্পাদক খান মাসুদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ সাফায়ত আলম সানির সান্নিধ্যে রাজনীতি করে আলোচনায় আসে যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক শেখ মাঈনুদ্দীন মাঈনু। মানু দলের প্রতিটি কর্মসূচীতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.