ওবায়েদুল কাদেরের আগমনে বন্দরে উৎসবের আমেজ

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

আগামী বৃহস্পতিবার তিনটি স্কুল উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বন্দরে আসছেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। স্কুলের শিক্ষার্থী অভিভাবক, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তি সহ সর্বস্তরের জনগনকে নিয়ে আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ইতোমধ্যেই শহর এবং বন্দর এলাকায় বিভিন্ন গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে আমন্ত্রন পত্র পৌছে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২০ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় বন্দরের মুছাপুর ইউনিয়নের ত্রিবেনী এলাকায় অবস্থিত শামসুজ্জোহা এমবি ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা সকল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সাথে মতবিনিময় ও প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের আগমনকে কেন্দ্র করে নানা রঙে সাজতে শুরু করেছে বন্দর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন এলাকা। সম্প্রতি বন্দর ইউনিয়নে নাসিম ওসমান মডেল হাইস্কুলের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর আগমন উপলক্ষ্যে লাখো মানুষের ঢলে উৎসবে পরিনত হয়েছিল বন্দর এলাকা। এবারেই ঠিক তেমনিভাবেই আয়োজনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে।
মতবিনিময় সভায় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আপনারা দলমত নির্বিশেষে সকলে উদ্যোগকে সফল করতে সহযোগীতা করেছেন। তাই স্কুল গুলোর উদ্বোধন অনুষ্ঠান সর্বস্তরের জনগনের স্বর্তস্ফূর্ত অংশ গ্রহণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে।
স্কুলের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তাদের বাবা, মা, ভাই বোন সবাইকে সাথে নিয়ে স্কুলের উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপভোগ করার অনুরোধ করেন।
তিনি আরো বলেন, স্কুলটি মরহুম শামসুজ্জোহার নামে নির্মিত হয়েছে। যেহেতু উনি আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্য থেকে অন্যতম একজন তাই স্কুলটি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক উদ্বোধন করার জন্য সম্মতি দিয়েছেন। উনি নারায়ণগঞ্জকে সম্মানিত করতে আসছেন। তাই উনাকে সম্মানিত করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। তাই আমি নারায়ণগঞ্জের আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দদের কাছে সহযোগীতা কামনা করছি। যেহেতু উনি আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক তাই আমি এর আগে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির কাছে সহযোগীতা চেয়েছি উনি আমাকে সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে যদি বিশেষ কোন আয়োজন করতে চান তাহলে উক্ত আয়োজনে আমি আমার পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করবো।
সভা শেষে সেলিম ওসমান মুঠোফোনে মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনকে ফোন করে অনুষ্ঠান সফল করার ব্যাপারে সহযোগীতা কামনা করেন। পাশাপাশি জেলা, মহানগর অথবা বন্দর থানা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে যদি বিশেষ কোন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চান সে ব্যাপারে তিনি সম্পূর্ন সহযোগীতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। বিষয়টি নিয়ে এমপি সেলিম ওসমান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের সাথে দীর্ঘ সময় মোবাইল ফোনে আলাপ হয়েছে।
মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আবুল জাহের, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ রশিদ, মহানগর জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আকরাম আলী শাহীন, কলাগাছিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন প্রধান, বন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এহসান উদ্দিন, মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাকসুদ হোসেন, মদনপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুম আহম্মেদ সহ প্রতিটি ইউনিয়নের মেম্বার ও স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দরা।

Leave A Reply