সোনারগায়ে স্কুলে ঢুকে ১০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

সোনারগাঁয়ে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সনমান্দি হাসান খাঁন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ১০ শিক্ষার্থীকে স্কুলে ঢুকে পিটিয়ে আহত করেছে ওই এলাকার বহিরাগতরা। বুধবার সকালে স্কুলের ভেতরে ওই শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করা হয়। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর ওই এলাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বুধবার বিকেলে সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল হক টিক্কা খাঁন বাদী হয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা অভিযোগ থেকে জানা যায়, প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বুধবার সকালে স্কুলে যাওয়ার পর পশ্চিম সনমান্দি গ্রামের কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র লাঠিসোটা, লোহার রড নিয়ে আব্দুর রহিম, সবুজ, রাসেল, শান্ত, সিদ্দিকুর রহমান, আরিফ, আরিফুর রহমান, ও রবিউল সনমান্দি হাসান খাঁন উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মশুরাকান্দা গ্রামের রবিন, রিফাত, রিসাল, ইসাম, রায়হান ও সুমনসহ ১০ শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করে। এসময় শিক্ষক ও এলাকাবাসী বাঁধা দিতে এলে তাদেরকেও লাঞ্ছিত করে বহিরাগতরা।

সনমান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নুরুল হক টিক্কা খাঁন জানান, সনমান্দি গ্রামের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে আমাদের গ্রামের ছেলেদের কারনে অকারনে মারধর করে আসছে। গতকাল বুধবার সকালে স্কুলের ভেতরে প্রথম দফা ও স্কুল থেকে ফেরার পথে সনমান্দি বাজারের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় পিটিয়ে আহত করে। শিক্ষার্থীরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্কুলে ঢুকে ১০শিক্ষার্থীর উপর হামলার ঘটনায় জড়িত কামরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি হামলার ঘটনা অস্বীকার করেন।

সনমান্দি হাসান খাঁন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনা খুবই দুঃখজনক। বহিরাগত লোকজন স্কুলে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের মারধর করেছে। আমরা এতে বাঁধা দিলে তারা আমাদেরকেও লাঞ্ছিত করেছ। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবগত করা হয়।

সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।

0 Shares
শেয়ার করুন.

Leave A Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.