সাবদীর আনিছ হত্যাকারী কে এই শাহ আলম?

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

বন্দরের চাঞ্চল্যকর হাফেজ আনিছ হত্যার মূল আসামী কে এই শাহ আলম। এ হত্যাকান্ডের অন্তরালে কে জড়িয়ে আছে তা দিন দিন সাবদি বাজারসহ এলাকার আশে পাশে নানা গুঞ্জন শোনা গেলেও মুখ খুলছেনা প্রভাবশালীদের ভয়ে এলাকাবাসী। সূত্র মতে, গত ২৫ মে বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নারায়ণগঞ্জ চাষাঢ়াস্থ নিজ বাসা থেকে মোবাইল ফোনে ডেকে এনে পরিকল্পিত ভাবে সাবদি বাজারের মন্দিরের ভিতরে প্রকাশ্যে শাহ আলম গং হাফেজ আনিছকে হাতে পায়ে রগ কেটে, কানে লোহার রড এবং জিহ্বা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে। শাহ আলমের পরিচিতি, বন্দর থানাধীন সাবদি কলাবাগ এলাকার আব্দুল আউয়াল মিয়ার কুপুত্র, জুয়ারী, মদ্যপায়ী, ইয়াবা সেবনকারী শাহ আলম। ৩ স্ত্রী ও ৩ সন্তানের জনক এই শাহ আলম। ১ম স্ত্রী তার নির্যাতনে মৃত্যুবরন করে ১ সন্তান রেখে। ২য় স্ত্রীকে নেশা করে নির্যাতন করতেন বলে তালাক দিয়ে চলে যায়। ৩য় স্ত্রীকে নেশা ও জুয়ার টাকার জন্য এবং যৌতুক দাবী করে প্রতিনিয়ত নির্যাতন করে। বিগত সময় ড্রেজারের মাধ্যমে কলাবাগ জামে মসজিদের বালু ভরাট, আনিছ হত্যার কয়েক দিন আগে কামাল ও জামালের বালু ভরাটসহ অনেকের নিকট থেকে প্রতারানা করে টাকা আদায় করে। সাবদি বাজারের উত্তর পাশে মনতাজ মিয়ার বাড়ি পাশে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধি বড় পীরের দোয়া আনলোড ড্রেজার বসায় যার দায়িত্বে থাকে তারই সহকারি খোকন এবং শাহ আলম। আনিছ হত্যার এক সাপ্তাহ আগে বালু ভরাটের কাজ নিয়ে শাহ আলমের সাথে দ্বন্দ্ব হলে ১১ টি প্লাষ্টিক পাইপ ভেঙ্গে ফেলে আনিছ এর জের ধরে খুনের ঘটনাটি ঘটে বলে পরিবাবের দাবী। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, সাবদি বাজারের বেশ কয়েকটি দোকানদার বলেন,শাহ আলম গংকে খুন করতে সহায়তা ও পালিয়ে যাওয়ার সময়ও দু’জন ইউপি সদস্য বাজারে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান। এ হত্যাকান্ডের পিছনে প্রভাবশালী মহলের হাতও রয়েছে তা না হলে বাজারে প্রকাশ্যে খুন করার সাহস কি ভাবে পায়। মানুষ বুঝে কিন্তু মুখ খোলতে সাহস পাচ্ছেনা। নেশা ও জুয়ার টাকার যোগাতে মরিয়া হয়ে শাহ আলম এখন মানুষ মারার পেশায় নাম লিখিয়েছে এবং খুন করার জন্য সহযোগিতা করছে একই এলাকার হাফেজ আনিছের হোন্ডার ড্রাইভার পারভেজ, সজল, রুবেল, ফয়সাল ও ইয়াবা বিক্রয়কারী শামীমসহ অজ্ঞাত বেশ কয়েকজন। এদিকে আনিছ হত্যার পর থেকে এলাকা থেকে আওয়ামী যুবলীগের নেতা আজিজুল হক, কলাবাগ এলাকার জামান টেইলর একই এলাকার হুমায়ন ও আল আমিন পালিয়ে থাকার বিষয়টি সাবদি বাজারসহ আশে পাশে সর্বত্রই নানা গুঞ্জন সৃষ্টি হচ্ছে।

Leave A Reply