র‌্যাবের অভিযানে সারোয়ার-তামীম গ্রুপের শামীম আটক

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

র‌্যাবের-১১ এর অভিযানে সারোয়ার-তামীম গ্রুপের শামীম (২৩) নামে আরেক পলাতক জেএমবি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত বুধবার রাতে গাজীপুর জেলার করমতলা এলাকায় র‌্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ ইসমাইল হোসেন @ শামীম @ আতর আলী (২৩) ফতুল্লা মডেল থানার এজহারভুক্ত পলাতক আসামী।যার মামলা নং-১০৫ তারিখ ২৯ জুলাই ২০১৭।

র‌্যাব-১১ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সিনিঃসহকারী পরিচালক মো শাকিলআহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মোঃ ইসমাইল হোসেন @ শামীম @ আতর আলী, ২০১২ সালে ঢাকার একটি মাদ্রাসা হতে আলিম পাশ করে। ২০১৩ সাল হতে সে নারায়ণগঞ্জের সরকারী তোলারাম কলেজে দর্শন বিভাগে অধ্যায়ণরত। পড়াশোনার পাশাপাশি সে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মধু ও আতর বিক্রি করত। মোঃ ইসমাইল হোসেন ২০০৭ সালে সৈয়দ রায়হানুল আহসান@নাফিস এর হাত ধরে জঙ্গীবাদে যুক্ত হয়। ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মধু ও আতর বিক্রির অন্তরালে সে জেএমবির দাওয়াতী কাজ করত। পরে ২০১৫ সালের শেষের দিকে ইতিপূর্বে র‌্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতারকৃত আবদুর রহমান @ রুবেল এর মাধ্যমে জেএমবির সারোয়ার-তামীম গ্রুপে যোগদান করে। সে সংগঠনের বার্তা বাহক হিসেবে নিয়োজিত ছিল। ইতিপূর্বে র‌্যাব-১১ কর্তৃক গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য এবং তার প্রাথমিক স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সে ঢাকা, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে সংগঠনের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গী নির্দেশনা স¤¦লিত লিখিত বার্তা, জঙ্গীবাদে ব্যবহৃত সিডি, বই ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত নোটসমূহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের মনোনীত সদস্যদের কাছে পৌছে দিত। তার সহযোগী অনেকেই আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে সে গ্রেফতার এড়াতে বিভিন্ন স্থানে ছদ¥বেশে আত্মগোপন করে থাকত।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিল মাস হতে এ পর্যন্ত র‌্যাব-১১ কর্তৃক বেশ কয়েকটি সফল জঙ্গি বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ সকল অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাসহ ৪২ জন বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্য ও পলাতক আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বিভিন্ন অভিযানে গ্রেফতারকৃত এ সকল জঙ্গীদেরকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের নেটওয়ার্ক এবং কার্যক্রমের অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। প্রাপ্ত সে সকল তথ্যাদি যাচাই-বাচাই ও বিশ্লেষণের পর জঙ্গী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত যে সকল সদস্য এখনও গ্রেফতার হয়নি তাদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য অব্যাহতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। র‌্যাব-১১ কর্তৃক ইতিপূর্বে দায়েরকৃত মামলা সমূহের এজাহারনামীয় পলাতক আসামীদের গ্রেফতারের জন্য গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধির পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ক্রমাগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

 

 

Leave A Reply