ফতুল্লায় অপহরণ মামলা প্রধান আসামী গ্রেপ্তারসহ ভিকটিম উদ্ধার

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ ইন্সপেক্টর মো. মজিবুর রহমান আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরন মামলার প্রধান আসামী বাপ্পিসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার সহ ভিকটিম উদ্ধার করেছে ঢাকা কল্যাণপুর বাস স্ট্যান্ড হতে।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়: লাক মনি আক্তরের স্বামী মিজানুর রহমান এর দাবী ফতুল্লা হতে তার স্ত্রীকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অপহরন করেছে বাপ্পি ও তার বাবা সালাউদ্দিন গংরা। গত ২০ অক্টোবর এব্যাপারে ফতুল্লা মডেল থানায় মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বাপ্পিসহ ৫/৬ জন কে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার প্রধান আসামী আসিফ আহম্মেদ বাপ্পী ও তার সহযোগী আল আমিন কে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেপ্তার করেন এবং ভিকটিম লাক মনিকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ মামলার অভিযোগে জানাযায়, সিদ্ধিরগঞ্জ জালকুড়ি এলাকার মৃত আলিম উদ্দিনের ছেলে মো. মিজানুর রহমান (৩২)। সে ২০১৩ ইং সালে ইসলামের শরীয়ত মোতাবেক ঢাকা জেলার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ কাজীগাঁও এলাকার আ.মোতালেব মিয়ার কন্যা লাকমনি (২৫) কে বিবাহ করে। তাদের দাম্পত্য জীবনে লাফিন (৩) নামের একটি ছেলে রয়েছে ।
সে তার স্ত্রী লাকমনি ও সন্তানকে নিয়ে ভালোই চলছে সাংসারিক জীবন। তার সৎ ভাই সালাউদ্দিনের ছেলে আসিফ আহম্মেদ বাপ্পি (২২) লাকমনি (চাচী)কে বিভিন্ন সময় মোবাইলে উত্ত্যাক্ত করে আসছে। এব্যাপারে তার বাবা সালাউদ্দিনসহ পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা বাপ্পি কে আরো উৎসাহ প্রদান করে । গত ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ চাষাড়া হতে মার্কেট করে অটোরিক্সায় বাসার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয় লাকমনি। ফতুল্লার ওসমানী স্টেডিয়াম পর্যন্ত এলে বাপ্পিসহ ৭/৮ জন যুবক তাকে জোর পূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। এরপর ৫ লক্ষ টাকা মুক্তি পন দাবী করছে বাপ্পি তার সাঙ্গ পাঙ্গরা । এঘটনায় মিজানুর বাদী থানায় মামলা দায়ের করে। মামলা নং-৬২(৯)১৭।
এই মামলার প্রধান আসামী আসিফ আহম্মেদ বাপ্পি ভিকটিম লাকমনি কে নিয়ে ঢাকা ছেড়ে অন্যত্রয় চলে যায়। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ফতুল্লা মডেল থানার চৌকশ ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামী বাপ্পি ও তার সহযোগি আল আমিন কে গ্রেপ্তার এবং ভিকটিম উদ্ধার করেন।
তিনি জানান,গত ৯ অক্টোবর রাত হতে আধুনিক প্রযুক্তি মোবাইল ট্রাকিং এর মাধ্যমে আসামী বাপ্পির অবস্থান খুজে পায়। তারা দেখে সে সিলেট আছে। এরপর তারা সিলেট যায় তারপর তার অবস্থান কিন্তু সেখানে নাই ।পরে প্রযুক্তি কল ট্রাকিংয়ে করে দেখেন বাপ্পির অবস্থান চাঁপাই নবাবগঞ্জ আছে। পরে প্রযুক্তিতে দেখতে পায় বাপ্পি পরিবহন বাসে ঢাকা কল্যাণ পুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। এরপর বাপ্পিকে ঢাকা কল্যানপুর হতে গত ১১ অক্টোবর রাতে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ বাপ্পির কাছে ভিকটিমের কথা জানতে চাইলে সে জানায় ভিকটিম লাকমনি চাই নবাবগঞ্জ আছে।এদিকে বাপ্পির খালাতো ভাই আল আমিন জানতে পারে বাপ্পি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার করেছে। পরে সে ভিকটিম লাকমনিকে চাঁপাই নবাবগঞ্জ এলাকা হতে পরিবহন বাসে ঢাকার উদ্দেশ্যে পাঠায়। পুলিশ আধুনিক ট্রাকিংয়ের মাধ্যমে ভিকটিমের অবস্থান লক্ষ্য করতে সক্ষম হয়। এরপর ঢাকা কল্যানপুর বাস স্ট্যান্ড হতে গত ১১অক্টোবর রাত ৮টায় থাকে পুলিশ উদ্ধার করেন । এসময় সহযোগি আল আমিন কে গ্রেপ্তার করে।

Leave A Reply