পাঁচ আসন জাতীয়পার্টিকে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে-আনোয়ার

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন বলেছেন, আনোয়ার হোসেন অনেক নির্যাতন ও অনেক ত্যাগ শিকার করে আজ এখানে এসেছে। আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করি। আমাকে ঢাকা এসে রাজনীতি করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি নারায়ণগঞ্জবাসীদের ছেড়ে যেতে চাইনি বিদায় এখনো এখানে আছি। বঙ্গবন্ধুর আর্দশ বাস্তবায়ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়ার জন্য আমি রাজনীতি করছি। আমি সুবিদাবাদী রাজনীতি করিনা আমি আর্দশ নিয়ে রাজনীতি করি। আমি যদি শেখ হাসিনার কথা শুনতাম তাহলে এতদিন আমি মন্ত্রী হতে পারতাম। মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের র্নিবাচনে রাজাকার রফিক চেয়ারম্যান ছেলে মাকসুদকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আমাকে অনেক অনুরোধ করা হয়েছিল। এবং আমার অফিসে ১০ লাখ টাকা চেক নিয়ে আসা হয়েছিল। আমি তাকে পাত্তা দেইনি। আমি অন্যায় করিনা এবং অন্যায়কে পশ্রুয় দেইনা। তাই আমাদের সবাইকে এখন থেকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের চিহিৃত করতে হবে আমার দলের ভিতর বিএনপি জামায়াত ঢুকে পরেছে। আমাদের মাঝে ঐক্য নষ্ট করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। আমাদের এ আসনটাকে আবারও জাতীয় পার্টির হাতে তুলে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। তৃনমূল নেতাদের সায়েস্তা করার জন্য তার বিভিন্ন ভাবে ছক আকছেন। আমরা বসন্তের কোকিলদের আর এখানে দেখতে চাই না। অন্য কিছু বুঝি না নৌকা আমাদের ঠিকানা। শনিবার বিকেল ৪টায় বন্দরের মদনগঞ্জ ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশন অডিটরিয়াম রুমে ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ১৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজী আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় ও মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী সঞ্চালনায় শোক সভায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এডঃ খোকন সাহা, সহ-সভাপতি রোকনউদ্দিন, নূরুল ইসলাম চৌধূরী, হায়দার আলী পুতুল, যুগ্ম সম্পাদক জি.এম আরমান, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আবেদ হোসেন, মুসাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান ও মহানগর যুবমহিলালীগের আহবায়ক নুরুন নাহার সন্ধ্যা প্রমুখ। শোক সভায় উপস্থিত ছিলেন, সোনাকান্দা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব আলমগীর হোসেন, বন্দর থানা আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ কাইয়ুম, মোঃ আমিনুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন জসু, জাহাঙ্গীর, বাবু, মানিক মাহামুদ, ওমর ফারুক, আমির সোহেল, মিন্টু, শ্রমিকলীগে নেতা খোকন, জাহাঙ্গীর আলম খায়ের, সোহেল, জুয়েল, আওয়ামীলীগ নেতা শামীম, মফিজ, রলি, স্বপন, আশাদুল্ল্যাহ বাতেন, আমির হোসেন, আনোয়ার, আলাউদ্দিন পাগলা, আলমগীর, রতন খান, রবি, মিল্লাত, শেখ লুৎফর রহমান সুমন, জুয়েল, বাসেদ, সামছু ও সালাম প্রমুখ। শোক সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য এডঃ খোকন সাহা বলেন, শোকের মাস আগষ্ট মাস। স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ও র্মাকিন সা¤্রাজবাদ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। আমি যখন ছাত্র তখন বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে রাজপথে এসে এর প্রতিবাদ করে ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল সোনার বাংলা গড়ার জন্য আমার কাজ করছি। নারায়ণগঞ্জে ৫ আসনে আওয়ামীলীগের এমপি নেই। সে জন্য আমাদের আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে র্নিযাতন হচ্ছে। ২০০৯ সালে আওয়ামীলীগ ও জাতীয়পার্টির জোট হলে এ ৫ আসনটি আমাদের ছাড়তে হয়েছে। এবার এ আসন থেকে আওয়ামীলীগের প্রার্থী চাই। নারায়ণগঞ্জ ও বন্দরে আওয়ামীলীগের তৃনমূল নেতাকর্মীদের মতামত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জানানো হবে। ১৪ বছর যাবত মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি পদে আনোয়ার ভাই ও আমি খোকন সাহা সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছি। যতদিন পর্যন্ত আনোয়ার ও খোকন সাহার কাছে দায়িত্ব থাকবে তত দিন পর্যন্ত ত্যাগী ও তৃনমূল্য নেতাকর্মীদের মূল্যয়ন করা হবে।

 

Leave A Reply