জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের ২ সদস্য আটক

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো এলাকায় অভিযান চালিয়ে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের দুই সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব-১১।

বৃহস্পতিবার দুপুরে র‌্যাব ১১’র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাকিল আহমেদ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আটককৃতরা হলেন-মো. মামুনুর রশিদ ওরফে মামুন (৩৪) ও মো. ইসমাইল হোসেন (২৯)। এ সময় তাদের কাছ থেকে জঙ্গিবাদী নোটশিট উদ্ধার করা হয়।বুধবার গভীর রাতে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

বিজ্ঞপ্তিতে র‌্যাব জানায়, মামুন ১৯৯৬ সালে নোয়াখালীর একটি মাদ্রাসা থেকে হেফজ সম্পন্ন করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে চাকরি করে। ২০১৬ সালের মে মাস থেকে তিনি রূপগঞ্জের একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করছিল। এর আগে ২০১৩ সালে সে জনৈক তাসনিমের সঙ্গে উগ্রবাদী অডিও আদান প্রদানের মাধ্যমে জিহাদে উদ্বুদ্ধ হয়। পরে তার সঙ্গে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আবু ইউশা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মাসুদ আলম রানা, নাঈম এবং তারেকের পরিচয় হয়। আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ায় সংগঠনে তার গুরুত্ব বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে তার বাসায় জেএমবির বিভিন্ন কার্যক্রম ও গোপন বৈঠক চলতে থাকে। সে সংগঠনে পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তাও করত। সেসময় জেএমবির শীর্ষস্থানীয় জঙ্গি সারোয়ার জাহান, ডা. নজরুল, তাসলিম ও নাঈম একাধিকবার তার বাসায় সংগঠনের গোপন বৈঠকে মিলিত হয়েছে। ২০১৫ সালের শেষ দিকে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপ সক্রিয় হওয়ার পর থেকে সে এই দলে যোগ দেয়।

অন্যদিকে মো. ইসমাইল হোসেন তুরাগের দারুল ফালাহ ছালেহিয়া সাহেব আলী আলিয়া মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করে। সে ২০১২ সালে ঢাকায় একটি কোম্পানিতে ও পরে তার ভাইয়ের স্টেশনারি দোকানে কাজ শুরু করে। সে ২০১৪ সালে মামুনের মাধ্যমে সংগঠনে প্রবেশ করে। সে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের সদস্য আনোয়ার হোসেন ও মাসুদ আলম রানাসহ আরো অনেক সদস্যের সঙ্গে ঢাকার বিভিন্ন স্থানসহ গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় জেএমবির সদস্য সংগ্রহে কাজ করেছে। তার দোকানেই সে জঙ্গিবাদী নোটশিট ফটোকপি করে দাওয়াতি কাজে ব্যবহার করত। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলেও জানানো হয়।

 

Leave A Reply