এড. সাখাওয়াতের ঐক্যের ডাকে তৈমূর বাঁধা

0

বিজয় বার্তা ২৪ ডট কম

আগামী  ২৪ নভেম্বর জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী পরিষদ ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের নির্বাচন। আর এই নির্বাচনকে ঘিরে জমে উঠেছে বিএনপি পন্ত্রী আইনজীবীদের নির্বাচনী প্রচারনা। ইত্যিমধ্যেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের ১৭ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের প্যানেল গঠনের আগে থেকেই আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান সকলকে ঐক্যবদ্ধ করতে  কাজ করে যাচ্ছেন। সকল ভেদাভেদ ভুলে এড. তৈমূর আলমের সাথে একই টেবিলে বসেছিলেন এড.সাখাওয়াত হোসেন খান। সেই মোতাবেক জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক করা হয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি এড. তৈমূর আলম খন্দকারকে। আর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য করা হয়েছে এড. সাখাওয়াত হোসেন খানকে। বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের জয়ী করতে কাজ করছেন সাখাওয়াত। তার ডাকেই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা।

প্রথম দিন এড. তৈমূর আলম খন্দকার আদালত পাড়ায় নির্বাচনী প্রচারনায় আসলেও আসেননি বুধবার। কারন বুধবার নির্বাচনী প্রচারনায় আদালত পাড়ায় ছিলেন সাবেক এমপি এড. আবুল কালাম। শহর জুড়ে রয়েছে তাদের বিরোধের ঘটনা। এদিকে বুধবার প্রার্থীদের পরিচিতি সভা এড.আবুল কালাম বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের জয়ী করতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে আহ্বান জানান। উপরে এড. তৈমূর ঐক্য প্রকাশ করলেও ভিতরে রয়েছে তার অনৈক্যের সুর। তিনি চান না বিএনপির ঐক্যতা। তাইতো এড. আবুল কালাম সাখাওয়াতের ঐক্যের ডাকে আসায় তৈমূর আসলেন না এমনটি বলতে শোনা গেছে আদালত পাড়ায়। যা বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের মাঝে ভিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। তাহলে কি বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে জয়ী করতে চান না এড. তৈমূর ? শুরু থেকেই বিরোধীতা দেখা দিলে বিএনপি পন্থী আইনজীবীরা মনোবল হারাবে বলে ধারনা করা যাচ্ছে। তাই সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রার্থীদের জয়ী করতে আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের সমর্থনকারীরা।

বিগত এক নির্বাচনে এড. তৈমূর আলম খন্দকার তার বাসায় বৈঠক করে নাটকীয়ভাবে বারী ভূইয়াকে সভাপতি প্রার্থী নির্বাচিত করেন। বৈঠকে বেশীর ভাগ আইনজীবী এড. সাখাওয়াত হোসেন খানকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের উপেক্ষা করে করা হয়েছিল বারী ভূইয়াকে সভাপতি প্রার্থী। শেষে বেলায় এড. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের প্রার্থীদের বিপুল ভোটে পরাজিত করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তী নির্বাচনগুলোতেও রয়েছে তৈমূরের বিভিন্ন নাটকীয়তার প্রতিচ্ছবি। গত নির্বাচনে বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের পরাজিত হওয়ায় তৈমূরকে দোষারোপ করতে দেখা যায়। নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার এক সভায় সকল আইনজীবীরা এড. তৈমূর সহ তার সর্মথিত আইনজীবীদের তিরস্কার করেন। এবারও মনোয়ন পত্র সংগ্রহের দিন বিরোধীতা দেখা দিলে এড. তৈমূর তার লোকজন দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেন। এবারের ২০১৬-১৭ অর্থ বছরের নির্বাচনে তৈমূর নাটকীয় কোন ঘটনা ঘটাতে পারে বলে ধারনা করা যাচ্ছে। তাইতো তিনি এড. আবুল কালাম নির্বাচনী প্রচারনায় আসায় তিনি আসেননি। জাতীয়তাবাদী ঐক পরিষদকে জয়ী করতে এড. আবুল কালাম ও এড. তৈমূর আলম খন্দকারকে এক টেবিলে বসা প্রয়োজন বলে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তা না হলে তৈমূরের বিরোধের কারনে বিএনপি পন্থী আইনজীবীদের এবার পরাজিত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে বলে ধারনা করা যাচ্ছে।

Leave A Reply